rupalibangla
rupalibangla rupalibangla rupalibangla rupalibangla rupalibangla
শুক্রবার, ১২ জুন ২০২৬

শিরোনাম

ইন্টারন্যাশনাল পিস ফাউন্ডেশনের সমন্বিত মেধা তালিকায় যশোরের ৩২ শিক্ষার্থী পাইকারি ও গ্রাহক পর্যায়ে বাড়ল বিদ্যুতের দাম জনগণের দেয়া রায় বাস্তবায়ন না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন অব্যাহত থাকবে : মামুনুল হক প্রেসক্লাব যশোরের সদস্যপদ প্রদানসহ তিন দফা দাবিতে আন্দোলনে সাংবাদিক ইউনিয়ন যশোর আবার দাম বাড়ল পেট্রোল-অকটেন ও কেরোসিনের জামায়াতের মামলা : ঝালকাঠি-১ আসনের নির্বাচনী নথি সংরক্ষণের আদেশ আড়াল হয়ে যাচ্ছে কোরবানির প্রকৃত আত্মিক ও নৈতিক শিক্ষা ইরানের বন্দরগুলো থেকে নৌ-অবরোধ তুলে নেয়ার ঘোষণা ট্রাম্পের শুধু পশু নয়, মানুষের মনের পশুত্বকেও কুরবানি করতে হবে : গোলাম পরওয়ার মহাকাশ স্টেশনে তিনজন মহাকাশচারী পাঠিয়েছে চীন
Ad for sale 870 x 100 Position (1)
Position (1)

বগুড়া শাহ সুলতান কলেজে ছাত্রদলের দুই গ্রুপে সংঘর্ষ; দায় চাপানো হচ্ছে শিবিরের ওপর

বগুড়া প্রতিনিধি

প্রকাশ : মঙ্গলবার, ৫ মে,২০২৬, ০৬:৫৫ পিএম
বগুড়া শাহ সুলতান কলেজে ছাত্রদলের দুই গ্রুপে সংঘর্ষ; দায় চাপানো হচ্ছে শিবিরের ওপর

বগুড়া সরকারি শাহ সুলতান কলেজে একটি তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের দুই গ্রুপের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষ ও ধাওয়া-পাল্টাধাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। তবে নিজেদের অভ্যন্তরীণ এই কোন্দলের দায় ছাত্রশিবিরের ওপর চাপিয়ে ক্যাম্পাসে মিছিল করার অভিযোগ উঠেছে ছাত্রদল নেতাদের বিরুদ্ধে।

প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, একটি মেয়েকে কেন্দ্র করে কলেজ ছাত্রদলের আহ্বায়ক হাবিবুর রহমান হিরা এবং সদস্য সচিব সোহাগ হোসেনের অনুসারীদের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়। এক পর্যায়ে উভয় পক্ষ সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। এতে সোহাগ হোসেনের কয়েকজন কর্মী হিরা গ্রুপের হাতে মারধরের শিকার হন।

পরবর্তীতে সোহাগ হোসেন ঘটনাস্থলে উপস্থিত হলে উত্তেজনা আরও বৃদ্ধি এবং পুনরায় সংঘর্ষ শুরু হয়। এসময় হিরা গ্রুপের একজন রক্তাক্ত জখম হন। সংঘর্ষ চলাকালীন হিরা গ্রুপের কর্মীরা লাঠিসোঁটা নিয়ে ক্যাম্পাসে মহড়া দেয় এবং সোহাগ হোসেনের ফেস্টুন ও পোস্টার ছিঁড়ে ফেলে। পরে কলেজের শিক্ষক ও ছাত্রদলের জ্যেষ্ঠ নেতাদের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে।

ঘটনার পর উভয় পক্ষ এক হয়ে ক্যাম্পাসে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ মিছিল ও স্লোগান দিতে শুরু করে। মিছিলে তারা "রাজাকার-আলবদর", "ক্যাম্পাসে শিবিরের ঠাঁই হবে না" ইত্যাদি স্লোগান দেয়।

তবে ছাত্রশিবিরের পক্ষ থেকে এই ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানানো হয়েছে। সংগঠনটির দাবি, এই সংঘর্ষের সাথে শিবিরের ন্যূনতম কোনো সম্পৃক্ততা নেই। নিজেদের অভ্যন্তরীণ কোন্দল ও সম্মান বাঁচাতে ছাত্রদল উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে শিবিরের নাম জড়িয়ে ‘দায় চাপানোর রাজনীতি’ করছে। তারা ফেসবুকের মাধ্যমে এই সংঘর্ষের খবর জানতে পেরেছেন বলে উল্লেখ করেন।

সম্পর্কিত

ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন