rupalibangla
rupalibangla rupalibangla rupalibangla rupalibangla rupalibangla
সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬

শিরোনাম

● ১২ দিন পর যশোরে উদ্ধার হলো অভয়নগরের নিখোঁজ নাফিজ ● অভয়নগরে নিজ ঘরে বৃদ্ধার গলাকাটা লাশ, স্বর্ণালংকার ও টাকা লুটের অভিযোগ ● স্কাউটিংয়ে খুলনা অঞ্চলের শ্রেষ্ঠ উপজেলা অভয়নগর ইউএনওকে সংবর্ধনা ● দেশি-বিদেশি বিনিয়োগের নতুন দুয়ার যশোর ইপিজেড ● শিল্প শহর নওয়াপাড়ায় আইএফআইসি ব্যাংকের সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপন ● বিশ্ব ডাক দিবস : যশোরে চিঠি উৎসব ● নওয়াপাড়ায় জামায়াতের কাউন্সিলর প্রার্থীর আলোচনা সভা ও প্রীতিভোজ ● খাজুরাকে উপজেলায় উন্নীতের ঘোষণা দিলেন এমপি গোলাম রসুল ● যশোরের দেয়াড়া ইউনিয়নে জামায়াতের কর্মী সমাবেশ ● দুর্গাপূজা সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে উদযাপনের লক্ষ্যে অভয়নগরে মতবিনিময়
Ad for sale 870 x 100 Position (1)
Position (1)

১৫৬ বছরের ইতিহাস নিয়ে অস্তিত্ব সংকটে ঢাকার প্রথম গণগ্রন্থাগার

রূপালী ডেস্ক

প্রকাশ : বুধবার, ৬ মে,২০২৬, ০৮:১০ পিএম
১৫৬ বছরের ইতিহাস নিয়ে অস্তিত্ব সংকটে ঢাকার প্রথম গণগ্রন্থাগার

রাজধানীর পুরান ঢাকায় জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের পাশেই দাঁড়িয়ে আছে ১৫৬ বছরের প্রাচীন ও ঢাকার প্রথম পাবলিক লাইব্রেরি—রাজা রামমোহন রায় লাইব্রেরি। ১৮৬৯ সালে ব্রাহ্ম মন্দিরের দোতলায় প্রতিষ্ঠিত এই পাঠাগারটি আজ অযত্ন আর অবহেলায় বিলুপ্তির পথে।

ঐতিহাসিক এই লাইব্রেরিটি একসময় বাংলা সাহিত্যের দিকপালদের মিলনমেলা ছিল। বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ, কাজী মোতাহার হোসেন ও সুফিয়া কামালের মতো বরেণ্য ব্যক্তিরা এই লাইব্রেরি ব্যবহার করেছেন। ১৯৩০ সালে কবি জীবনানন্দ দাশের বিয়েও সম্পন্ন হয়েছিল এই লাইব্রেরি প্রাঙ্গণে। ১৯৪৭ সালে এখানে ৩০ হাজারেরও বেশি দুর্লভ বই ও সরকারি গেজেট থাকলেও, বর্তমানে এর সংখ্যা কমে দাঁড়িয়েছে মাত্র ৫০০-৬০০টিতে।

সরেজমিনে দেখা যায়, লাইব্রেরির মূল ভবনটি বর্তমানে জরাজীর্ণ। ভবনের দেয়ালে গাছ জন্মানোয় এটি ধসে পড়ার ঝুঁকিতে রয়েছে। বর্তমানে পাঠাগারটিকে ব্রাহ্ম মন্দির ভবনের দোতলায় একটি ছোট কক্ষে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। আগের মতো পাঠকের ভিড় নেই বললেই চলে; মাঝে মাঝে কেবল জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের কিছু শিক্ষার্থীকে এখানে আড্ডা দিতে বা গবেষণা করতে দেখা যায়।

২০০৪ সালে রাজউক ভবনটি ভেঙে ফেলার নির্দেশ দিলেও ২০০৫ সালে একে পুরাকীর্তি হিসেবে সংরক্ষণের জন্য আদালতে রিট করা হয়। প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তর একে পুরাকীর্তি হিসেবে স্বীকৃতি না দিলেও রাজউকের ঐতিহ্যের তালিকায় এর নাম রয়েছে। ফলে এর সংস্কার বা পুনর্নির্মাণ কাজ দীর্ঘকাল ধরে ঝুলে আছে।

বাংলাদেশ ব্রাহ্ম সমাজের সদস্য এ বি পাল জানান, পাঠাগারটি সবার জন্য উন্মুক্ত রাখা হয়েছে এবং ভবিষ্যতে এটিকে আলাদা একটি ভবনে স্থানান্তরের পরিকল্পনা রয়েছে। ঢাকার ইতিহাসের এই অনন্য সাক্ষীটিকে রক্ষায় সরকারি ও বেসরকারি জোরালো উদ্যোগ প্রয়োজন বলে মনে করছেন ইতিহাস সচেতন মহল।

সম্পর্কিত

ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন