মো রানা হাসান :
"জামায়াতের একটা সহযোগী সদস্য ফরম পূরণ করেই প্রবাসীদের জন্য শহীদ হতে প্রস্তুত" কথাটার গভীরতা অনেক। বিস্ময়করও বটে। জামায়াত বুঝি এইভাবেই বিএনপির তুখোড় একজন রাজনীতিবিদকে চেঞ্জ করে দিতে পারে! "আমি কি চোর? আমার মাথায় হেলমেট থাকবে কেন? সাহসী মেজর আখতারুজ্জামান!
মেজর আখতারুজ্জামানের পদক্ষেপ সফলতার দিকে যাচ্ছে। বলছিলাম, মেজরকে গ্রেফতার করে সরকার মোটেও ঠিক করেনি; উল্টো পানি ঘোলাটে করেছে। ঠিক তাই ঘটতেছে। মেজর আখতারুজ্জামানকে গ্রেফতার ও বিমানবন্দরের অব্যবস্থাপনা এবং হয়রানির বিরুদ্ধে প্রবাসীরা একজোট হয়েছে। রেমিট্যান্স যোদ্ধারা সরকারের এহেন সিদ্ধান্তকে ভালোভাবে নেয়নি। একমাসের জন্য রেমিট্যান্স যোদ্ধারা দেশে রেমিট্যান্স না পাঠানোর ঘোষণা দিয়েছে। ঠিক জুলাইয়ের মতো প্রবাসীরা মজলুমের পক্ষে অবস্থান নিয়েছে।
বলছিলাম, মেজর আখতারুজ্জামান বিমানবন্দরে শুধু নিজের ক্ষোভ ঝাড়েননি; কোটি কোটি প্রবাসীর ক্ষোভ ঝেড়েছেন। সাবেক সেনা কর্মকর্তা হিসাবে তাঁর সাহস ছিল; হয়রানির বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করেছেন। কিন্তু সাধারণ জনগণ- যারা নিত্য দিন বিমানবন্দরে হয়রানির শিকার হয়, মার খায়, মালামাল হারায়, তারা তো সাহস করে এইভাবে প্রতিবাদ করতে পারে না। মেজরই তাদের প্রতিবাদটা করেছেন।
ফলে, মেজরের পক্ষে প্রবাসীরা একজোট হয়েছে। বিমানবন্দরের হয়রানি ও মেজরের মুক্তির দাবিতে রেমিট্যান্স যোদ্ধারা সরকারের বিরুদ্ধে যো'দ্ধা ঘোষণা করেছে। আগামী একমাসের মধ্যে বিমানবন্দরের সমস্যা সমাধান না করলে এই যু'দ্ধের মেয়াদ আরো বাড়ারও হুশিয়ার করেছে। দিজ ইজ অ্যাবসোলুটলি পারফেক্ট ডিসিশন। ফুল সাপোর্ট দিচ্ছি।
যাইহোক, জামায়াতে ইসলামী বিএনপির দুইবারের একজন এমপিকেও জনগণের কল্যাণে ত্যাগী করে তুলতে পারে। বিস্ময়কর! এটা জামায়াতের আধ্যাত্মিক সফলতা। জাতির জন্য একজন মানুষকে কীভাবে গড়ে তুলতে হয়, তা জামায়াত থেকে শিখো। শুধু একজনই না; এরকম অসংখ্য মেজরকে জামায়াতে ইসলামী তৈরি করতেছে। জাস্ট ডিসক্লোজ হওয়ার অপেক্ষা। (ফেসবুক পেজ থেকে সংগৃহীত)