rupalibangla
rupalibangla rupalibangla rupalibangla rupalibangla rupalibangla
সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬

শিরোনাম

● ১২ দিন পর যশোরে উদ্ধার হলো অভয়নগরের নিখোঁজ নাফিজ ● অভয়নগরে নিজ ঘরে বৃদ্ধার গলাকাটা লাশ, স্বর্ণালংকার ও টাকা লুটের অভিযোগ ● স্কাউটিংয়ে খুলনা অঞ্চলের শ্রেষ্ঠ উপজেলা অভয়নগর ইউএনওকে সংবর্ধনা ● দেশি-বিদেশি বিনিয়োগের নতুন দুয়ার যশোর ইপিজেড ● শিল্প শহর নওয়াপাড়ায় আইএফআইসি ব্যাংকের সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপন ● বিশ্ব ডাক দিবস : যশোরে চিঠি উৎসব ● নওয়াপাড়ায় জামায়াতের কাউন্সিলর প্রার্থীর আলোচনা সভা ও প্রীতিভোজ ● খাজুরাকে উপজেলায় উন্নীতের ঘোষণা দিলেন এমপি গোলাম রসুল ● যশোরের দেয়াড়া ইউনিয়নে জামায়াতের কর্মী সমাবেশ ● দুর্গাপূজা সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে উদযাপনের লক্ষ্যে অভয়নগরে মতবিনিময়
Ad for sale 870 x 100 Position (1)
Position (1)

ক্যান্সার ও ডায়াবেটিস আগাম শনাক্তে বাংলাদেশি ৩ তরুণের যুগান্তকারী গবেষণা

রূপালী ডেস্ক

প্রকাশ : মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল,২০২৬, ০৭:২৯ পিএম
ক্যান্সার ও ডায়াবেটিস আগাম শনাক্তে বাংলাদেশি ৩ তরুণের যুগান্তকারী গবেষণা

আলোর উন্নত প্রযুক্তি ব্যবহার করে ক্যান্সার, ডায়াবেটিসসহ বিভিন্ন জটিল ও দীর্ঘস্থায়ী রোগ একদম প্রাথমিক পর্যায়ে শনাক্ত করার নতুন এক পদ্ধতি নিয়ে কাজ করছেন তিন বাংলাদেশি তরুণ গবেষক। তারা হলেন এস এম রাকিবুল ইসলাম, মোহাম্মদ রুবায়েত ইসলাম এবং মোহাম্মদ সবুজ মিয়া। যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসের লামার ইউনিভার্সিটির সঙ্গে আন্তর্জাতিক সহযোগিতায় তারা এই যুগান্তকারী গবেষণাটি পরিচালনা করছেন।

গবেষকরা জানান, এই পদ্ধতিতে ফোটোনিক ক্রিস্টাল ফাইবারভিত্তিক অপটিক্যাল বায়োসেন্সর এবং সার্ফেস প্লাজমন রেসোনেন্স (এসপিআর) প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়েছে। এই বিশেষ ফাইবারের সূক্ষ্ম ছিদ্রযুক্ত গঠনের কারণে আলো ও রক্তের জৈবিক উপাদানের মধ্যে শক্তিশালী মিথস্ক্রিয়া তৈরি হয়। এর ফলে রক্তে গ্লুকোজ, হিমোগ্লোবিন, অ্যালবুমিন ও ইউরিয়ার মতো উপাদানের সামান্যতম পরিবর্তনও নিখুঁতভাবে ধরা পড়ে, যা ডায়াবেটিস, লিভার বা কিডনি রোগের আগাম সংকেত দিতে সক্ষম। এছাড়া সাধারণ কোষ ও ক্যান্সার কোষের আলোর প্রতিসরণের (রিফ্র্যাকটিভ ইনডেক্স) সামান্য পার্থক্যের ওপর ভিত্তি করে ক্যান্সারও প্রাথমিক অবস্থায় শনাক্ত করা সম্ভব হবে।

গবেষক দলটির লক্ষ্য এমন একটি সহজ, দ্রুত ও নির্ভরযোগ্য প্রযুক্তি তৈরি করা যা হাসপাতালের বাইরে দূরবর্তী এলাকাতেও সাধারণ মানুষের স্বাস্থ্য পরীক্ষায় ব্যবহার করা যাবে।

বিশেষজ্ঞদের আশা, এই প্রযুক্তি সফলভাবে পুরোপুরি বাস্তবায়ন করা গেলে ভবিষ্যতে ছোট ও সহজে বহনযোগ্য ডায়াগনস্টিক ডিভাইস তৈরি করা সম্ভব হবে। এর মাধ্যমে স্বল্প খরচে প্রাথমিক পর্যায়ে রোগ শনাক্ত করে বিশ্বজুড়ে লাখ লাখ মানুষের জীবন বাঁচানো সম্ভব হতে পারে।

সম্পর্কিত

ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন