rupalibangla
rupalibangla rupalibangla rupalibangla rupalibangla rupalibangla
সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬

শিরোনাম

● ১২ দিন পর যশোরে উদ্ধার হলো অভয়নগরের নিখোঁজ নাফিজ ● অভয়নগরে নিজ ঘরে বৃদ্ধার গলাকাটা লাশ, স্বর্ণালংকার ও টাকা লুটের অভিযোগ ● স্কাউটিংয়ে খুলনা অঞ্চলের শ্রেষ্ঠ উপজেলা অভয়নগর ইউএনওকে সংবর্ধনা ● দেশি-বিদেশি বিনিয়োগের নতুন দুয়ার যশোর ইপিজেড ● শিল্প শহর নওয়াপাড়ায় আইএফআইসি ব্যাংকের সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপন ● বিশ্ব ডাক দিবস : যশোরে চিঠি উৎসব ● নওয়াপাড়ায় জামায়াতের কাউন্সিলর প্রার্থীর আলোচনা সভা ও প্রীতিভোজ ● খাজুরাকে উপজেলায় উন্নীতের ঘোষণা দিলেন এমপি গোলাম রসুল ● যশোরের দেয়াড়া ইউনিয়নে জামায়াতের কর্মী সমাবেশ ● দুর্গাপূজা সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে উদযাপনের লক্ষ্যে অভয়নগরে মতবিনিময়
Ad for sale 870 x 100 Position (1)
Position (1)

বগুড়া শাহ সুলতান কলেজে ছাত্রদলের দুই গ্রুপে সংঘর্ষ; দায় চাপানো হচ্ছে শিবিরের ওপর

বগুড়া প্রতিনিধি

প্রকাশ : মঙ্গলবার, ৫ মে,২০২৬, ০৬:৫৫ পিএম
বগুড়া শাহ সুলতান কলেজে ছাত্রদলের দুই গ্রুপে সংঘর্ষ; দায় চাপানো হচ্ছে শিবিরের ওপর

বগুড়া সরকারি শাহ সুলতান কলেজে একটি তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের দুই গ্রুপের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষ ও ধাওয়া-পাল্টাধাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। তবে নিজেদের অভ্যন্তরীণ এই কোন্দলের দায় ছাত্রশিবিরের ওপর চাপিয়ে ক্যাম্পাসে মিছিল করার অভিযোগ উঠেছে ছাত্রদল নেতাদের বিরুদ্ধে।

প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, একটি মেয়েকে কেন্দ্র করে কলেজ ছাত্রদলের আহ্বায়ক হাবিবুর রহমান হিরা এবং সদস্য সচিব সোহাগ হোসেনের অনুসারীদের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়। এক পর্যায়ে উভয় পক্ষ সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। এতে সোহাগ হোসেনের কয়েকজন কর্মী হিরা গ্রুপের হাতে মারধরের শিকার হন।

পরবর্তীতে সোহাগ হোসেন ঘটনাস্থলে উপস্থিত হলে উত্তেজনা আরও বৃদ্ধি এবং পুনরায় সংঘর্ষ শুরু হয়। এসময় হিরা গ্রুপের একজন রক্তাক্ত জখম হন। সংঘর্ষ চলাকালীন হিরা গ্রুপের কর্মীরা লাঠিসোঁটা নিয়ে ক্যাম্পাসে মহড়া দেয় এবং সোহাগ হোসেনের ফেস্টুন ও পোস্টার ছিঁড়ে ফেলে। পরে কলেজের শিক্ষক ও ছাত্রদলের জ্যেষ্ঠ নেতাদের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে।

ঘটনার পর উভয় পক্ষ এক হয়ে ক্যাম্পাসে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ মিছিল ও স্লোগান দিতে শুরু করে। মিছিলে তারা "রাজাকার-আলবদর", "ক্যাম্পাসে শিবিরের ঠাঁই হবে না" ইত্যাদি স্লোগান দেয়।

তবে ছাত্রশিবিরের পক্ষ থেকে এই ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানানো হয়েছে। সংগঠনটির দাবি, এই সংঘর্ষের সাথে শিবিরের ন্যূনতম কোনো সম্পৃক্ততা নেই। নিজেদের অভ্যন্তরীণ কোন্দল ও সম্মান বাঁচাতে ছাত্রদল উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে শিবিরের নাম জড়িয়ে ‘দায় চাপানোর রাজনীতি’ করছে। তারা ফেসবুকের মাধ্যমে এই সংঘর্ষের খবর জানতে পেরেছেন বলে উল্লেখ করেন।

সম্পর্কিত

ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন